মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫

উদ্ভাবনী চর্চা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

 

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-১

 

 

ক)

প্রস্তাবনার শিরোনামঃ

:

উপকার ভোগীদের দোর গোড়ায় গিয়ে ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ প্রদান।

খ)

পটভূমি।ঃ

:

পাট অধিদপ্তরের সাথে সম্পৃক্ত উপকার ভোগীদের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা।

গ)

ইনোভেশন প্রস্তাবনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা।

:

ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ দল বা Peripatetic Training Unit (PTU) t

প্রতি জেলায় ১ জন মুখ্য পরিদর্শক, ১ জন পরিদর্শক ও ১ জন সহকারী পরিদর্শক সমন্বয়ে একটি করে এবং প্রতি উপজেলায় ১ জন পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ১ জন পাট উন্নয়ন সহকারী সমন্বয়ে একটি করে ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ দল গঠন করা হবে। এই দল উপকার ভোগীদের দোর গোড়ায় গিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণের একটি সুনির্দিষ্ট সিলেবাস/পাঠক্রম/মডিউল থাকবে যা পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক অনুমোদিত হবে। এরূপ প্রশিক্ষণ ৩টি পর্যায়ে চলমান থাকবে। প্রথম পর্যায়ে পাটের উৎপাদন বিষয়ক, দ্বিতীয় পর্যায়ে পাটের শ্রেণী বিন্যাস ও বাজারজাতকরণ এবং তৃতীয় পর্যায়ে থাকবে পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ। ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ প্রত্যেক সপ্তাহে সংশিলষ্ট এলাকার কোথাও না কোথাও অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা থেকে প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ বর্ষপুঞ্জি সংগ্রহপূর্বক অনুমোদন করা হবে।

ঘ)

এ ইনোভেশন কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করলে কি ধরণের সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাওয়া যাবে/কি ধরণের পরিবর্তন ঘটবে এবং এর দ্বারা কারা উপকৃত হবে।

:

  1. পাটের উৎপাদন পর্যায়েঃ

বিদ্যমান ব্যবস্থাপনায় পাট অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘‘উচ্চ ফলনশীল (উফশী) পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং উন্নত পাট পচঁন’’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪৪টি জেলার ২০০টি উপজেলায় বছরে মাত্র ১দিন পাটবীজ বপন, পরিচর্যা, রোগ বালাই দমন, পাট পঁচানো, কাঁচা পাটের শ্রেণী বিন্যাস এবং পাটবীজ উৎপাদনের বিষয়ে Theoritical প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এরূপ প্রশিক্ষণে একদিকে যেমন অংশ গ্রহণকারী পাট চাষীদের মূল্যবান একটি কর্মদিবস ব্যয় হয়, অপরদিকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ না পাওয়ার ফলে পাট চাষীদের তেমন উপকারে আসে না। প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে প্রশিক্ষণ দল পাট চাষীদের দোর গোড়ায় গিয়ে সংশিলষ্ট এলাকায় প্রতি সপ্তাহে ২দিন করে হাতে কলমে ব্যবহারিক ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। এতে একদিকে যেমন পাট চাষীদের মূল্যবান কর্মঘণ্টার অপচয় রোধ হবে। অপরদিকে তাঁরা হাতে কলমে প্রশিক্ষণ পেয়ে অল্প জমিতে অধিক পরিমাণ উন্নত জাতের পাট উৎপাদনে সক্ষম হবে এবং অধিক আয় অর্জণ করতে পারবে বলে আশা করা যায়।

  1. পাটের শ্রেণী বিন্যাস ও বাজারজাতকরণ পর্যায়েঃ

পাট চাষীগণ উৎপাদিত পাটের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার অন্যতম কারণ হলো পাটের শ্রেণী বিন্যাস বা গ্রেডিং সম্পর্কে ধারনা না থাকা। এ সুযোগে ফড়িয়া ব্যবসায়ীগণ ভাল মানের পাটকে অনেক সময় নিম্নমানের পাট হিসেবে ক্রয় করে পাট চাষীদের সাথে প্রতারণা করে থাকে। প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে প্রশিক্ষণ দল পাট চাষীদের দোর গোড়ায় গিয়ে সংশিলষ্ট এলাকার হাট-বাজারে প্রতি সপ্তাহে ২দিন করে হাতে কলমে ব্যবহারিক ভাবে পাটের শ্রেণী বিন্যাস বা গ্রেডিং সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। প্রশিক্ষণলদ্ধ জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে পাট চাষীগণ উৎপাদিত পাটের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন।

                                                                                                                            

 

 

 

  1. পাটজাত পণ্যের অভ্যমত্মরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণঃ

‘‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’’ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি করা। পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে কাঁচা পাটের চাহিদাও বৃদ্ধি পাবে। ফলে কৃষকগণ অধিক পরিমাণে পাট চাষে উদ্বুদ্ধ হবেন। তাই জাতীয় সবার্থে পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

ঙ)

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কি ধরনের সহযোগিতা লাগবে এবং কার অনুমোদন লাগবে।

:

এ উদ্যোগ বাসত্মবায়নে সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; মহাপরিচালক, পাট অধিদপ্তর; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশিলষ্ট দপ্তর/সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। এ ক্ষেত্রে সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে।

চ)

ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা।ঃ

:

পাট অধিদপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম বর্তমানে ২ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রাজস্বখাতের স্থায়ী জনবল দ্বারা পাট ও পাটজাত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, হাট-বাজার ও পাটকলসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন, পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ের বিভিন্ন শ্রেণীর লাইসেন্স প্রদান এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের বিভিন্ন তথ্য পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। অপরদিকে রাজস্বখাতের অস্থায়ী জনবল এবং প্রকল্পের জনবল দ্বারা ‘‘উচ্চ ফলনশীল (উফশী) পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং উন্নত পাট পচঁন’’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উফশী পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং উন্নত পদ্ধতিতে পাট পচঁন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত ২ ধারার জনবলের মেধা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিম্নরূপে ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছেঃ

  1. পাটের উৎপাদন বিষয়কঃ দেশের ৪৪টি জেলার ২০০টি উপজেলায় প্রতি উপজেলায় ১ জন পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ১ জন পাট উন্নয়ন সহকারী সমন্বয়ে একটি করে ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ দল গঠন করা হবে। পাট আবাদি জমি নির্বাচন এবং পাটের বীজ বপন থেকে শুরু করে পাট পচন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এ দল সংশিলষ্ট এলাকায় প্রতি সপ্তাহে ২দিন করে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন।

 

  1. পাটের শ্রেণি বিন্যাস ও বাজারজাতকরণঃ পাট সমৃদ্ধ দেশের ৪২টি জেলায় প্রতি জেলায় ১ জন মুখ্য পরিদর্শক, ১ জন পরিদর্শক ও ১ জন সহকারী পরিদর্শক সমন্বয়ে একটি করে ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ দল গঠন করা হবে। এ দল সংশিলষ্ট এলাকায় পাটচাষী কর্তৃক দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে আমদানিকৃত পাটের মান, শ্রেণী বিন্যাস/গ্রেডিং এবং ভিজা পাটের কূফল সম্পর্কে পাটচাষী এবং ফড়িয়া ক্রেতাদেরকে প্রতি সপ্তাহে ২দিন করে হাতে কলমে ব্যবহারিক ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন।

 

  1. পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণঃ উপরাক্ত ২টি প্রশিক্ষণ দল যুগপৎভাবে ‘‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’’ প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

 

  • মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আঞ্চলিক সহকারী পরিচালকগণ ৩টি পর্যায়ে গঠিত প্রশিক্ষণ দলের কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে মনটরিং করবেন এবং এ বিষয়ে মহাপরিচালক পাট অধিদপ্তরকে অবহিত করবেন।

                                                                                                                              

 

 

 

  • প্রস্তাবিত ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নের নিমিত্ত মহাপরিচালক পাট অধিদপ্তর এর সভাপতিত্বে প্রধান কার্যালয় ৫(পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনে সচিব মহোদয়ের সদয় নির্দেশনা ও অনুমোদনক্রমে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম-সচিবকে এ কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

ছ)

ইনোভেশন ধারণা দ্বারা প্রত্যাশিত ফল অর্জনের কর্মপরিকল্পনা।ঃ

:

ইনোভেশন ধারণা দ্বারা প্রত্যাশিত ফল অর্জনের জন্য-

  1. ফাল্গুন-চৈত্র (মার্চ) মাস থেকে পাট আবাদি জমি নির্বাচন ও চাষ আরম্ভ হয় বিধায় পাটের উৎপাদন বিষয়ক গঠিত প্রশিক্ষণ দলের কার্যক্রম প্রতি বছর ফাল্গুন-চৈত্র (মার্চ) মাস থেকে শুরু করতে হবে। সে লক্ষে সুনির্দিষ্ট সিলেবাস/পাঠক্রম/মডিউল প্রণয়ন করা হবে।

 

  1. জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় (জুলাই) মাস থেকে হাট-বাজারে নতুন পাট আমদানি শুরু হয় বিধায় পাটের শ্রেণী বিন্যাস ও বাজারজাতকরণ বিষয়ক গঠিত প্রশিক্ষণ দলের কার্যক্রম প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় (জুলাই) মাস থেকে শুরু করতে হবে। সে লক্ষে সুনির্দিষ্ট সিলেবাস/পাঠক্রম/মডিউল প্রণয়ন করা হবে।

 

  1. পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ একটি চলমান কার্যক্রম। যত দ্রুত উপকারভোগীদের এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা যাবে তত দ্রুত পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধিসহ কাংখিত সুফল পাবে। সে লক্ষে সুনির্দিষ্ট সিলেবাস/পাঠক্রম/মডিউল যথাশীঘ্রই প্রণয়ন করা হবে।

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

 

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-২

 

(০১)    পাট অধিদপ্তরের অনলাইন লাইসেন্সিং।

 

(০২)    উদ্দেশ্যঃ

          ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন সহায়তা

          ডিজিটাল বিনর্মানে সহায়ক ভুমিকা পালন।

          সেবা দ্রুততর ও সহজসাধ্য করা

          সেবা গ্রহীতাদের ঝামেলা ও সমস্যা দূর করা।

          পাট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ ও দি জুট (লাইসেন্সিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট) বিধিমালা, ১৯৬৪ বাস্তবায়ন

          দ্রুততর করা।

 

(০৩)    পটভুমিঃ ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের নিমিত্ত পাট অধিদপ্তরের কর্মকান্ডকে ডিজিটাল করা। জনগনের সেবার  

         দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রমকে অটোমেশন করা প্রয়োজন।       

(০৪)    বাস্তবায়ন পদ্ধতিঃ পাট অধিদপ্তরের Online Liscence System এর প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ

          (ক)     আবেদনকারী অনলাইনে নিবন্ধন সম্পাদন করবেন।

          (খ)      নিবন্ধনকৃত ইউজার তথ্য দিয়ে তারা Login করবেন।

          (গ)      প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পূরণ (Fill-up) করবেন।

          (ঘ)      প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংযুক্ত করবেন।

          (ঙ)      ব্যাংকের চালানসহ প্রয়োজনীয় শর্তগুলো মেনে  Application Form Submit করবেন।

          (চ)      অতঃপর আবেদনকারী একটা traking number মোবাইলে/ই-মেইলে পাবেন।

(ছ)      আবেদনকারী যে কোন সময় লাইসেন্স এর status তাহার Dashboard থেকে Check করতে পারবেন।

(জ)     তথ্যের যে কোন আপত্তি থাকলে তা সহজেই Check করতে পারবেন এবং Resubmit করতে পারবেন।

(ঝ)     আবেদন বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে Verification হবে যা আবেদনকারীরা তাদের Dashboard থেকে জানতে পারবেন।

(ঞ)     অতঃপর লাইসেন্স প্রস্তুত হলে আবেদনকারী সহজেই তা জানতে পারবেন এবং অনলাইন এর মাধ্যমে দেখতে পারবেন এবং তা সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

(০৫)    বাস্তবায়ন সময় ৩মাস।

 

(০৬)    অর্থ সংস্থানঃ পাট অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেট হতে এ ব্যয় সংকুলান করা হবে।

 

(০৭)    বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ পাট অধিদপ্তর।

 

(০৮)    জনবলঃ নিজস্ব জনবল

 

(০৯)    অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষঃ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-৩

 

ক)

প্রস্তাবন শিরোনামঃ

সরকারি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি,  সেমিনার ও কর্মশালায় পাটের ব্যাগ ব্যবহার ।

খ)

পটভুমিঃ

সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সেমিনার ও কর্মশালায় এবং সরকারি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটসমূহে প্রশিক্ষণের সময় প্রশিক্ষণার্থীদের পাটের ব্যাগ দেয়া হলে একদিকে যেমন পাটপণ্যের  ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে পাটের ব্যাগ পচনশীল হওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। অধিকন্তু পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে  পাটকলে লোকসানের পরিমান ক্রমশঃ হ্রাস পাবে।

গ)

ইনোভেশন প্রস্তাবনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

প্রতিযোগিতামুলক বাজারে পাটজাত পণ্যের মোড়ক ব্যবহারের চাহিদা বেড়ে যাবে। চাহিদা বৃদ্ধির ফলে আকষণীয় ব্যাগ প্রস্তুত/তৈরী করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনোয়োগকারীগণ অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে নিজেদেরকে স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা/অবদান রাখতে পারবে।

ঘ)

এ ইনোভেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে কি ধরণের সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাওয়া যাবে/কি ধরণের পরিবর্তন ঘটবে এবং এর দ্বারা করা উপকৃত হবেঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। পাটের আভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে পাটকলগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে বিনিয়োগকারী ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। বাজারে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। রেক্সিন, প্নাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার হ্রাস পাবে।

 

ঙ)

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কি ধরণের সহযোগিতা লাগবে এবং কার অনুমোদন লাগবেঃ

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা প্রয়োজন। বিজেএমসি, বিজেএমএ, বিজেএসএ, জেডিপিসি এবং বিজেআরআইসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

 

চ)

ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনাঃ

ইনোভেশন প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পাট অধিদপ্তরের অধীনে জেডিপিসি বা অন্য কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা তৈরী করে মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট  প্রস্তাব পেশ করবে।

 

ছ)

ইনোভেশন ধারণা দ্বারা প্রত্যাশির ফল অর্জনে কর্ম পরিকল্পনাঃ

দেশের অভ্যন্তরে পাটজাত ব্যাগের চাহিদা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হবে। নতুন ধরনের সহজে বহনযোগ্য ও অল্প খরচে উৎপাদিত পাটজাত ব্যাগ বাজারে আসবে। ফলে উৎপাদক ও বিনিয়োগকারী উভয়েই লাভবান হবে এবং পাটের সোনালী ঐতিহ্য আবার সফলতা হিসেবে দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা যায়।

 

 

 

ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

 

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-৪

 

ক)

প্রস্তাবনার শিরোনামঃ

সকল সরকারি  দপ্তর/সংস্থায় পাটের  সামগ্রী ব্যবহার  করা।

 

খ)

পটভুমিঃ

সকল সরকারি দপ্তর/সংস্থায় পাটের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে একদিকে যেমন পাটপণ্যের  ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে পাটের সামগ্রী পচনশীল হওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। অধিকন্তু পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে,চাহিদা বৃদ্ধির ফলে  পাটচাষী গণ পাটের ন্যর্য মূল্য পাবে ।

 

গ)

ইনোভেশন প্রস্তাবনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

প্রতিযোগিতামুলক বাজারে পাটজাত  সামগ্রীর ব্যবহারের চাহিদা বেড়ে যাবে। চাহিদা বৃদ্ধির ফলে আকষণীয় পাটের সামগ্রী প্রস্তুত/তৈরী করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনোয়োগকারীগণ অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে নিজেদেরকে স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা/অবদান রাখতে পারবে।

 

ঘ)

এ ইনোভেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে কি ধরণের সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাওয়া যাবে/কি ধরণের পরিবর্তন ঘটবে এবং এর দ্বারা করা উপকৃত হবেঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। পাটের আভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে পাটকলগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে বিনিয়োগকারী ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। বাজারে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। রেক্সিন, প্নাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার হ্রাস পাবে।

 

ঙ)

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কি ধরণের সহযোগিতা লাগবে এবং কার অনুমোদন লাগবেঃ

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা প্রয়োজন। বিজেএমসি, বিজেএমএ, বিজেএসএ, জেডিপিসি এবং বিজেআরআইসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

 

চ)

ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনাঃ

ইনোভেশন প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পাট অধিদপ্তরের অধীনে জেডিপিসি বা অন্য কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা তৈরী করে মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট  প্রস্তাব পেশ করবে।

 

ছ)

ইনোভেশন ধারণা দ্বারা প্রত্যাশির ফল অর্জনে কর্ম পরিকল্পনাঃ

দেশের অভ্যন্তরে পাটের সামগ্রীর চাহিদা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হবে। নতুন ধরনের সহজে বহনযোগ্য ও অল্প খরচে উৎপাদিত পাটের সামগ্রী বাজারে আসবে। ফলে উৎপাদক ও বিনিয়োগকারী উভয়েই লাভবান হবে এবং পাটের সোনালী ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়।

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

 

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-৫

 

ক)

প্রস্তাবনার শিরোনামঃ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে  সরকারি  বই  বিতরণে পাটের ব্যাগ ব্যবহার ।

 

খ)

পটভুমিঃ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে সরকারি বই বিতরণ করা হয়ে থাকে। বই বিতরণের সময় পাটের ব্যাগ/পাটের সামগ্রীর ভিতরে বই দিয়ে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে একদিকে যেমন পাটপণ্যের  ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে পাটের ব্যাগ/পাটের সামগ্রী পচনশীল হওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। শিক্ষার্থীরাও পাটের সামগ্রী হাতে পাওয়ায় পাট সম্পর্কে তারা অতি সহজেই পরিচিতি অধিকন্তু পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে  পাটকলে লোকসানের পরিমান ক্রমশঃ হ্রাস পাবে।

 

গ)

ইনোভেশন প্রস্তাবনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

প্রতিযোগিতামুলক বাজারে পাটজাত পণ্যের ব্যবহারের চাহিদা বেড়ে যাবে। চাহিদা বৃদ্ধির ফলে আকষণীয় ব্যাগ      প্রস্তুত/তৈরী করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনোয়োগকারীগণ অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে নিজেদেরকে স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা/অবদান রাখতে পারবে।

 

ঘ)

এ ইনোভেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে কি ধরণের সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাওয়া যাবে/কি ধরণের পরিবর্তন ঘটবে এবং এর দ্বারা করা উপকৃত হবেঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। পাটের আভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে পাটকলগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে বিনিয়োগকারী ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। বাজারে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। রেক্সিন, প্নাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার হ্রাস পাবে।

 

ঙ)

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কি ধরণের সহযোগিতা লাগবে এবং কার অনুমোদন লাগবেঃ

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা প্রয়োজন। বিজেএমসি, বিজেএমএ, বিজেএসএ, জেডিপিসি এবং বিজেআরআইসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

 

চ)

ইনোভেশন ধারণা বাস্তবায়নে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনাঃ

ইনোভেশন প্রস্তাবটি বাস্বায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পাট অধিদপ্তরের অধীনে জেডিপিসি বা অন্য কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা তৈরী করে মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট  প্রস্তাব পেশ করবে।

 

ছ)

ইনোভেশন ধারণা দ্বারা প্রত্যাশির ফল অর্জনে কর্ম পরিকল্পনাঃ

দেশের অভ্যন্তরে পাটের ব্যাগের চাহিদা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হবে। নতুন ধরনের সহজে বহনযোগ্য ও অল্প খরচে উৎপাদিত পাটের ব্যাগ বাজারে আসবে। ফলে উৎপাদক ও বিনিয়োগকারী উভয়েই লাভবান হবে এবং পাটের সোনালী ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়।

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

www.dgjute.portal.gov.bd

          

 

ইনোভেশন প্রস্তাবনা ছক-৬

 

ক)

প্রস্তাবনার শিরোনামঃ

পাটপণ্য রপ্তানির উপর  ১০০ টাকায় ০.১০ টাকা হারে পরিদর্শন ফি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমাকৃত রাজস্ব আয় অনলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করণ।

 

খ)

পটভুমিঃ

পাট অধিদপ্তর পরিদর্শন ফি বাবদ রাজস্ব আয় করে। এ রাজস্ব আয় বাংলাদেশস্থ বিভিন্ন ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্যিক শাখাগুলো পাটপণ্য রপ্তানির সময় রপ্তানিকারক কর্তৃক এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) ওপেন করার সময় সর্বমোট রপ্তানির উপর ১০০ টাকায় ০.১০ টাকা হারে  পরিদর্শন ফি বাবদ কর্তন করে থাকে। ব্যাংকগুলো সপ্রনোদিত হয়ে এ সংক্রান্ত আয়ের তথ্য অধিদপ্তরে সরবরাহ না করলে কি পরিমান আয় হচ্ছে তা জানার কোন ব্যবস্থা নেই।

 

কাজেই এরুপ ব্যবস্থা করা গেলে ব্যাংকগুলো কর্তৃক পাটপণ্য রপ্তানির উপর ধার্যকৃত ১০০ টাকায় ০.১০ টাকা হারে সরকারি কোষাগারে জমাকৃত রাজস্ব আয় পাট অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কোডে অথবা পাট অধিদপ্তরের খাতে জমা হচ্ছে কি না তা এ ইনোভেশন প্রস্তাব বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

গ)

ইনোভেশন প্রস্তাবনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

পাটপণ্যের রপ্তানির উপর  ১০০ টাকায় ০.১০ টাকা হারে পরিদর্শন ফি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমাকৃত রাজস্ব আয় অনলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করণ।

 

ঘ)

এ ইনোভেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে কি ধরণের সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাওয়া যাবে/কি ধরণের পরিবর্তন ঘটবে এবং এর দ্বারা করা উপকৃত হবেঃ

ইনোভেশন প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে পাটপণ্য রপ্তানির উপর ধার্যকৃত ১০০ টাকায় ০.১০ টাকা হারে সরকারি কোষাগারে জমাকৃত রাজস্ব আয় পাট অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কোডে অথবা পাট অধিদপ্তরের খাতে জমা হচ্ছে কি না তা এ ইনোভেশন প্রস্তাব বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঙ)

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কি ধরণের সহযোগিতা লাগবে এবং কার অনুমোদন লাগবেঃ

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা হলে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা যাবে।

 

চ)

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়


Share with :